ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব : মৃত্যু বাড়ছে পাহাড়ে

  • আপলোড সময় : ২৭-০৫-২০২৪ ০১:২৩:৩০ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০৫-২০২৪ ০১:২৩:৩০ অপরাহ্ন
জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব : মৃত্যু বাড়ছে পাহাড়ে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব : মৃত্যু বাড়ছে পাহাড়ে
দেশের পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দারা বজ্রপাত কখনোই ভয় পেতেন নাউঁচু পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে দীর্ঘ আকৃতির বৃক্ষরাজি তাদের সুরক্ষা দিয়ে এসেছে সব সময়তবে সে পরিস্থিতি বদলেছেএখন আকাশে মেঘের ঘনঘটা দেখলেই দ্রুত বাড়ি ফেরেন অথবা নিরাপদ আশ্রয় খোঁজেন পাহাড়ের বাসিন্দারাকারণ, সম্প্রতি পাহাড়ে বেড়েছে বজ্রপাতে মৃত্যু
গত ৫ মে ভোরে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বেতছড়ি গোরস্থান এলাকায় বজ্রপাতে গাড়িচালক ছাদেক আলীর স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩০) ও তার ছেলে হানিফ মিয়ার (৮) মৃত্যু হয়এসময় হাসিনার আরেক সন্তান ১১ বছর বয়সী মো. হাবিজ ঘরের বাইরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যায়একই দিন জেলার মাটিরাঙ্গা ও রামগড় উপজেলায় বজ্রপাতে মারা যান আরও দুজনবিজ্ঞানীরা বলছেন, এ অঞ্চলটি প্রথমবারের মতো এমন প্রাণঘাতী বজ্রপাতের সম্মুখীন হয়েছেএটি ঘটেছে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে
বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মুরাদ আহমেদ ফারুখ বলেন, এবারের বজ্রপাতের বড় ধরনের ভিন্নতা আছেএটি ঘটেছে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেএখানে ভূমিরূপ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বঙ্গোপসাগর থেকে যে বাষ্পীভূত বাতাস বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে, সেটি সরাসরি উত্তরে গিয়ে ভারতের সেভেন সিস্টার্স বা সিলেটের পাহাড়ে বাধাগ্রস্ত হয়তখন মেঘ তৈরি হয়এ মেঘের কারণে দেশের সিলেট অঞ্চলে বজ্রপাতের সংখ্যা বেড়ে যায়
কিন্তু এবার তিন সপ্তাহের হিটওয়েভ এসেছে ভারতের মধ্যাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চল থেকেবিশাল সমভূমি পেরিয়ে এ তাপপ্রবাহ দেশের পশ্চিমাঞ্চল দিয়ে চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকায় আঘাত করেছেযে কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারাদেশে প্রচণ্ড বজ্রপাত হয়েছে, মানুষ মারা গেছেএটি প্রকৃতির সাধারণ ধরন নয়বাংলাদেশে সাধারণত দক্ষিণাঞ্চল থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে উত্তরাঞ্চলে বজ্রপাত হয়কিন্তু এবার পশ্চিমাঞ্চল থেকে পূর্বাঞ্চলে গিয়ে আঘাত হেনেছেবিগত ৭৬ বছরের ইতিহাসে এমন ঘটনা ঘটেনিএত দীর্ঘস্থায়ী হিটওয়েভও দেশে আগে ছিল না বলেন অধ্যাপক ফারুখ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, গত এক দশকে বজ্রপতে দেশে ২ হাজার ৯০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে
এছাড়া গত তিনমাসে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০০ জনের২০১৪ সালে ১৭০ জন, ২০১৫ সালে ২২৬, ২০১৬ সালে ৩৯১, ২০১৭ সালে ৩০৭, ২০১৮ সালে ৩৫৯, ২০১৯ সালে ১৯৮, ২০২০ সালে ২৫৫, ২০২১ সালে ৩১৪, ২০২২ সালে ৩৪৬ এবং ২০২৩ সালে ৩৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে বজ্রের অপঘাতেবজ্রপাতে মৃত্যুর এ সংখ্যা এসময়ের মধ্যে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ঘটে যাওয়া এক তৃতীয়াংশেরও বেশিএছাড়া বজ্রপাতে আহত হয়ে বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের পক্ষাঘাত, দুর্বলতা, মাথাঘোরা, স্মৃতিশক্তি এবং যৌনশক্তি হ্রাসের মতো উপসর্গ নিয়ে বাঁচতে হয়
অধ্যাপক মুরাদ আহমেদ ফারুখ বলেন, পরিবেশ বিজ্ঞানের ভাষায় বজ্রপাতে মৃত্যু হলো ডাইরেক্ট ওয়েদার রিলেটেড ডেথবজ্রপাতে কয়েক মিলি সেকেন্ডে প্রায় ৩০ হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বা ৮০০ ভোল্টেজ বিদ্যুৎ আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে প্রবাহিত হয়এতে ঘটনাস্থলেই ব্যক্তির মৃত্যু হয়সরাসরি আঘাতপ্রাপ্ত না হলেও ভিকটিম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়বজ্রপাতের এখনকার পরিস্থিতি আর হ্যাজার্ডের পর্যায়ে নেইএটি এখন পুরোপুরি ডিজাস্টারে রূপান্তরিত হয়েছেদুই দশক ধরে কোনো নির্দিষ্ট দুর্যোগে এত বেশি সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়নি, বজ্রপাতে যত মানুষ মারা গেছে যোগ করেন অধ্যাপক ফারুখ
সম্প্রতি বিজ্ঞান সাময়িকী হেলিয়নে প্রকাশিত গবেষণা বাংলাদেশে বজ্রপাত পরিস্থিতির ওপর জিআইএসভিত্তিক স্থানিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বেশিরভাগ প্রাণহানি বর্ষা-পূর্ববর্তী মৌসুম এবং বর্ষা ঋতুতে, যার মধ্যে উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা
এতে আরও বলা হয়, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী বজ্রপাতে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে রয়েছেবৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশে আবহাওয়ার ধরন ও বৈশিষ্ট্য ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হচ্ছেফলে দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ, শৈত্যপ্রবাহ এবং ঋতু পরিবর্তনের মতো ঘটনা ঘটছেএ কারণেই বজ্রপাত বাড়ছে
স্বাধীনতার ৫৩ বছর অতিবাহিত হলেও বাংলাদেশে বজ্রপাতের সংখ্যা নিরূপণ করা বা গতিপ্রকৃতি বোঝার কোনো যন্ত্র নেইতবে ফিনল্যান্ডের ভাইসেলা ইনকরপোরেশন তাদের জিএলডি ৩৬০স্যাটেলাইট থেকে গ্লোবাল লাইটিং সিস্টেম অনুসরণ করে সারাবিশ্বের বজ্রপাতের পরিমাপ করেতাদের গত ছয় বছরের তথ্য অনুসারে, প্রতি বছর বাংলাদেশের আকাশসীমায় গড়ে ৭ লাখ ৮৬ হাজার বজ্রপাত হচ্ছেএরমধ্যে প্রায় এক তৃতীয়াংশ বা দুই লাখের বেশি বজ্রপাত আকাশ থেকে মাটিতে পতিত হচ্ছে
অধ্যাপক মুরাদ আহমেদ ফারুখ বলেন, বাংলাদেশে বজ্রপাতের সংখ্যা বাড়ার পেছনে সুনির্দিষ্ট কয়েকটি কারণ আছেসেগুলো হলো-বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধিসম্প্রতি বাংলাদেশে প্রায় তিন সপ্তাহের কাছাকাছি সময় ধরে একটি হিটওয়েভ স্থায়ী হয়েছে, যা এর আগে কখনোই হয়নিএই হিটওয়েভ বজ্রপাত বাড়ানোর পেছনে সরাসরি ভূমিকা রাখছেআরেকটি কারণ হলো বাতাসে আর্দ্রতা বৃদ্ধিপ্রচণ্ড গরমে আমাদের নদীনালায় থাকা পানি বাষ্পীভূত হয়ে আকাশে গিয়ে মেঘে আর্দ্রতা বাড়াচ্ছেমেঘে আর্দ্রতা বাড়লে বজ্রপাতের সম্ভাবনাও বাড়েএর সঙ্গে মোবাইল টাওয়ারের চার্জ ও বায়ুদূষণ অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেনগরায়ণের ফলে যে বিপুল তাপ সৃষ্টি হচ্ছে এ কারণে বজ্রপাতের সম্ভাবনাও বাড়েএছাড়া বড় বড় গাছ কেটে ফেলায় বজ্রপাতে ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছেস্বাভাবিকভাবেই বজ্রপাতের পরিমাণ বৃদ্ধির কারণে ক্ষতির পরিমাণও বাড়ে-বলেন অধ্যাপক ফারুখ
সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরামের (এসএসটিএএফ) সেক্রেটারি রাশিম মোল্লা বলেন, বজ্রপাত বাড়ার বড় কারণ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও উঁচু গাছ কেটে ফেলাকোথাও এক ডিগ্রি উষ্ণতা বাড়লে বজ্রপাত বাড়ে ১২ শতাংশবাংলাদেশে গত ২৫ বছরে তাপমাত্রা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছেবজ্রপাত বাড়ার অন্যতম কারণ তাপমাত্রা বৃদ্ধিজলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দেশে বজ্রপাত বাড়ার পাশাপাশি বাড়ছে বজ্রপাতপ্রবণ এলাকার পরিধিওদেশের যেসব অঞ্চলে আগে খুব একটা বজ্রপাত হতো না, সেখানে এখন বজ্রপাত হচ্ছেদেশের হাওর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল সাধারণত বজ্রপাতপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিতসম্প্রতি দেশের পাহাড়ি অঞ্চলেও বজ্রপাত এবং এতে প্রাণহানি আগের চেয়ে বেশি
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. জিল্লুর রহমান বলেন, দেশের দক্ষিণাঞ্চল ও পাহাড়ি অঞ্চলের তাপমাত্রা আগে এখনকার মতো ছিল নাওই সব এলাকায় তাপমাত্রা বেড়েছে, ফলে বজ্রপাতও বেড়েছেযেসব জায়গায় বজ্রপাত আগে থেকেই বেশি, সেখানে এখন আরও বেশি হবেযেসব অঞ্চলে কম ছিল, সেখানে বাড়বেএ তাপমাত্রা চলমান থাকলে বছরে ৫০ শতাংশ বেশি বজ্রবৃষ্টি হবে
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, দুই বছরে দেশের দক্ষিণাঞ্চলসহ উপকূলীয় ও পাহাড়ি অঞ্চলে বজ্রপাতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছেএর মধ্যে রয়েছে বরিশাল, পটুয়াখালী, সাতক্ষীরা, খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িএছাড়া শরীয়তপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নরসিংদী ও কুমিল্লায় বজ্রপাতে মৃত্যু বেড়েছে
এসএসটিএএফের সেক্রেটারি রাশিম মোল্লা বলেন, বাংলাদেশে মোট বজ্রপাতের ৭০ শতাংশই হয় এপ্রিল, মে ও জুন মাসেমৌসুমি বায়ু দেশের আকাশে আসার আগের দুই মাস এপ্রিল ও মে মাসে সিলেট, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে এর প্রকোপ থাকে বেশিবর্ষায় তীব্রতা বাড়ে সুনামগঞ্জ, রাঙ্গামাটি ও চট্টগ্রামেশীতে বেশি আক্রান্ত হয় খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট
এ বিষয়ে ড. মুরাদ আহমেদ ফারুখ বলেন, বজ্রপাতে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, মধ্যমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা নেয়া যেতে পারেস্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আমাদের উচিত নির্বিচারে গাছ লাগানোস্বল্প সময়ে লম্বা হয় এমন গাছ বজ্রপাত রোধে ভূমিকা রাখবেবজ্রপাতে ক্ষতিগ্রস্তদের ৮৬ শতাংশই কৃষক ও জেলেএখন যে বজ্রবৃষ্টি হচ্ছে তা হলো শর্টলিফটঅর্থাৎ খুব কম সময়ের জন্য মেঘ তৈরি হবেতা থেকে অনেক বৃষ্টি ও বজ্রপাত হবে২০ থেকে ৪০ মিনিটের এই বৃষ্টির সময় কৃষকদের বাইরে একটি ছাউনিতে রাখার ব্যবস্থা করতে হবেএজন্য বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে কংক্রিটের ছাউনি তৈরি করতে হবেঅধ্যাপক ফারুখ বলেন, বজ্রপাত নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে পূর্বাভাস প্রচার ও আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেমডেভেলপ করা উচিতবজ্রপাতে যেসব মানুষ মারা যাচ্ছে তাদের অধিকাংশই কৃষক ও জেলেএদের একটা বড় অংশই লেখাপড়া জানে নাএক্ষেত্রে কৃষক ও জেলেদের মতো মাঠের মানুষদের জন্য ট্রেনিং এবং প্রান্তিক পর্যায়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালু করা উচিতএটা করা গেলে নিঃসন্দেহে বজ্রপাতে মানুষের মৃত্যু কমে আসবে
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স